আলমাছ হোসনে আওয়াল, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি:
আসন্ন ইসলামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় শুরু হয়েছে জোরদার নির্বাচনী তৎপরতা। পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে হাট-বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান—সর্বত্রই এখন আলোচনার মূল বিষয় কে ধরবেন উপজেলা পরিষদের হাল? রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সাধারণ ভোটারদের আলোচনায় বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম হিসেবে উঠে এসেছে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান মলিনের নাম।
বিগত ১৭ বছরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে হামিদুর রহমান মলিন নিজেকে একজন রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। উপজেলা বিএনপির সভাপতির ছায়াসঙ্গী হিসেবে থেকে তিনি ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিকদল ও কৃষকদলসহ সব কটি অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে নিরলস কাজ করেছেন। ১২টি ইউনিয়নের তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মতে, "নতুন বাংলাদেশ" বিনির্মাণে মলিনের মতো একজন পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতার বিকল্প নেই।
সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতি মলিন কেবল রাজনীতির মাঠেই সক্রিয় নন, বরং এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নেও তার অবদান চোখে পড়ার মতো। ইসলামপুরের তরুণ সমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রেখে সঠিক পথে পরিচালিত করতে তিনি অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছেন।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, তার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ না থাকায় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। সাধারণ মানুষের যেকোনো সমস্যায় দিন-রাত তাকে পাশে পাওয়া যায়। আধুনিক ও নিরাপদ ইসলামপুর গড়ার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে তার।
নিজের নির্বাচনী লক্ষ্য নিয়ে হামিদুর রহমান মলিন বলেন: “আমি দীর্ঘদিন রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছি। আমি জনগণের শাসক নয়, বরং সেবক ও বন্ধু হয়ে তাদের পাশে থাকতে চাই। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয়, তবে আমি একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ ইসলামপুর উপহার দেব।”
জামালপুরের ৭টি উপজেলার মধ্যে ইসলামপুর এখন আলোচনার তুঙ্গে। দলের নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ—সবার মুখেই এখন মলিনের নাম। ক্লিন ইমেজের এই নেতাকে কেন্দ্র করে ইসলামপুরের রাজনৈতিক সমীকরণ নতুন মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

0 $type={blogger}:
Post a Comment